Monday, January 17, 2022
Home > খেলাধুলা > বিশ্বকাপ দল পর্যালোচনা “আর্জেন্টিনা”

বিশ্বকাপ দল পর্যালোচনা “আর্জেন্টিনা”

Spread the love

সাবিত হক

আর্জেন্টিনা
অঞ্চল: দক্ষিণ আমেরিকা (কনমেবল)
বর্তমান র‍্যাংকিং:৫
উল্লেখযোগ্য ক্লাব: রিভার প্লেট, বোকা জুনিয়র্স, রেসিং ক্লাব, সান লরেঞ্জো, ইন্দিপেন্দেন্তে।

বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ: ১৭ বার (২০১৮ সহ)
সেরা ফলাফল: চ্যাম্পিয়ন (১৯৭৮ ও ১৯৮৬), রানার্স আপ (১৯৩০, ১৯৯০ ও ২০১৪)
২০১৪ এর ফলাফল: রানার্স-আপ (জার্মানির কাছে ০-১ গোলে হার)

জাতীয় দলের হয়ে সর্বোচ্চ ম্যাচ: হাভিয়ের মাশ্চেরানো ও হাভিয়ের জেনেতি (১৪৩ ম্যাচ করে)
সর্বোচ্চ গোল: লিওনেল মেসি (৬৪ গোল)

মহাদেশীয় প্রতিযোগিতা: কোপা আমেরিকা
সেরা ফলাফল: চ্যাম্পিয়ন (১৪ বার), রানার্স-আপ (১৪ বার)
২০১৬ এর ফলাফল: রানার্স আপ (ফাইনালে চিলির কাছে টাইব্রেকারে হার)

বিশ্বকাপ ইতিহাস: ১৯৩০ সালের প্রথম বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া ১৩ দলের মধ্যে আর্জেন্টিনা একটি। সেবার ফাইনালে উঠলেও উরুগুয়ের কাছে ২-৪ গোলে হারে যায় তারা। এরপর ইতালি ১৯৩৮ বিশ্বকাপে মাত্র একটি ম্যাচ খেলে তারা। পরবর্তী ১৯৩৮, ১৯৫০ ও ১৯৫৪ বিশ্বকাপে অংশপ্রহণে অনিচ্ছা প্রকাশ করে তারা। কিন্তু এই সময়কালে কোচ গিলের্মো স্তাবিলের অধীনে ১৯৩৭, ১৯৪১, ১৯৪৫, ১৯৪৬, ১৯৪৭, ১৯৫৫ ও ১৯৫৭ সালের ততকালীন দক্ষিণ আমেরিকার চ্যাম্পিয়নশীপ জেতে তারা বিশেষ করে ১৯৫৭ এর স্কোয়াডের ওমর সিভোরি, অসভালদো ক্রুজ, হাম্বার্তো মাশ্চিওরা ছিলেন বিশ্বনন্দিত। ২৪ বছরের অনুপস্থিতির পরে গিলের্মো স্তাবিলের দল ১৯৫৮ সালের সুইডেন বিশ্বকাপে ফেরে। কিন্তু সেবার জার্মানির কাছে প্রথম ম্যাচেই হেরে যায় তারা। এরপর উত্তর আয়ারল্যান্ডের সাথে জিতলেও শেষ ম্যাচে চেকোস্লোভাকিয়ার কাছে ১-৬ গোলে উড়ে যায় তারা যা “সুইডেন বিপর্যয়” নামে পরিচিত। সেবার বুয়েনস আইরেসের বিমানবন্দরে নেমে ১০,০০০ লোকের দুয়ো শুনতে হয় আর্জেন্টাইন দলকে। ১৯৬২ সালের চিলি বিশ্বকাপটাও ভালো যায়নি। ইংল্যান্ডের কাছে ১-৩ গোলে হেরে বিদায় নেয় তারা। নতুন কিছুর আভাস দিয়েই শুরু হয়েছিল ১৯৬৬ ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ। গ্রুপপর্বে স্পেন ও সুইজারল্যাডের সাথে জয়ের সাথে সাথে পশ্চিম জার্মানির সঙ্গে গোলশূন্য ড্র। কিন্তু ১/৪ ফাইনালে আবারো ইংল্যাডের সাথে ০-১ হারে ছিটকে পড়া। এই ম্যাচে রেফারিং ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। জার্মান রেফারি রুডোলফ ক্রেইটলিন আর্জেন্টিনার আনতোনিও রতিনকে “অশ্লীল ভাষা” ব্যবহারের জন্য লাল কার্ড দেখান যদিও রেফারি স্প্যানিশ ভাষার কানা-কড়িও বুঝতেন না। এই সিদ্ধান্তে রতিন এতোটাই বিরক্ত হোন যে রাণীর জন্য নির্ধারিত লাল কার্পেটে বসে পড়েন। এরপর দু’জন পুলিশ টানা-হেঁচড়া করে তাকে ওখান থেকে তুলে ভেতরে নিয়ে যান। ধারণা করা হয়, এই কাণ্ডের পরেই দু’দলের ম্যাচে প্রতিদ্বন্দ্বিতা কয়েকগুণে বেড়ে যাওয়া শুরু করে। ১৯৭০ই বিশ্বকাপই একমাত্র বিশ্বকাপ যেখানে আর্জেন্টিনা বাছাইপর্বে অংশ নিয়েও চূড়ান্তপর্বে খেলার সুযোগ পায়নি। ১৯৭৪ বিশ্বকাপেও তাদের পারফর্মেন্স ছিলো হতাশাজনক। একমাত্র আসা জয়টি ছিলো হাইতির বিপক্ষে। তবে গৌরবের মুহূর্ত আসে ১৯৭৮ এর দেশের মাটির বিশ্বকাপে। কোচ সিজার মেনোত্তির দলে জায়গা হয়নি। ১৭ বছরের টিনএজার ম্যারাডোনার, অনেকে বলেন এই সিদ্ধান্তে নাকি দেশটির সামরিক জান্তার হাত ছিলো। যাই হোক, মেনোত্তির দলে একজন মারিও কেম্পেস তো ছিলেন। মারিও কেম্পেস ঐ টুর্ণামেণ্ট সর্বোচ্চ ৬টি গোল করেন যার দুটি এসেছিলো নেদারল্যান্ডসের সাথে ফাইনালে। চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ১৯৮২ সালে ফকল্যান্ড যুদ্ধচলাকালীন সময়ে স্পেন বিশ্বকাপ খেলতে যায় আর্জেন্টিনা। প্রথম ম্যাচে বেলজিয়ামের কাছে হেরে গেলেও হাঙ্গেরি ও এল সাল্ভাদোরের সাথে জিতে দ্বিতীয়পর্বে যায় তারা। কিন্তু ইতালির কাছে ১-৩ ও ব্রাজিলের কাছে ১-২ গোলে হেরে গিয়ে বিদায় নেয় তারা। ম্যারাডোনা এবার দলে থাকলেও তার জাদু দেখতে ব্যর্থ হন; উলটো ব্রাজিলের বাতিস্তার কুঁচকিতে লাথি মেরে লাল কার্ড দেখেন তিনি। ১৯৮৬ বিশ্বকাপকে শুধু একজন মানুষের ব্যাক্তিগত সম্পত্তি বলতে হয়। ডিয়েগো ম্যারাডোনার মত আর কেউই একটি নির্দিষ্ট আসরের প্রতিশব্দ হয়ে উঠতে পারেননি। বিলার্দোর দলের প্রাণভোমরা তার দুটি রূপই দেখিয়ে দেন ১/৪ ফাইনালে ইংল্যান্ডের সাথে ম্যাচে। প্রথমে “ঈশ্বরের হাত”; পরবর্তীতে চার জন ইংলিশকে (টেরি বুচারকেই দু’বার) সেই “শতাব্দীর সেরা গোল”। সেদিনের উদযাপনে কি ফকল্যান্ড যুদ্ধে হারের বদলা নেওয়ার আবেগও কি ঝরে পড়ছিলো না? এই কীর্তির দামামায় সবাই বেলজিয়ামের সাথে সেমিফাইনালে তার অতিমানবীয় জোড়া গোলকে ভুলে যায়। ফাইনালটিও মনে রাখার মতো ছিলো সেবার। হোসে ব্রাউন ও হোর্হে ভালদানোর জোড়া গোল শোধ করে দেন জার্মানির রুমেনিগে ও ভোলার। কিন্তু ৮৩ মিনিটে বুরুচাগার গোল ডিয়েগো ম্যারাডোনার অমরত্ব নিশ্চিত করে। ১৯৯০ এর মেক্সিকো বিশ্বকাপেও সবকিচু যেন স্বপ্নের মত যাচ্ছিল। নেরি পাম্পিদোর ইনজুরিতে সুযোগ পান দ্বিতীয় গোলরক্ষক সার্জিও গয়কোচেয়া। এই গয়কোচেয়া বীরত্বেই ১-৪ ফাইনাল ও সেমিফাইনাল পার হয় আর্জেন্টিনা। আর এর মাঝে তো আর্জেন্টাইন ফুটবলের অন্যতম স্মরণীয় ঘটনাটি ঘটেছে। দ্বিতীয় পর্বে ব্রাজিলের সাথে ম্যাচে তেমন সুবিধে করতে পারছিলো না আকাশি-নীলরা। বেশির ভাগ পজেশন নেওয়া সত্ত্বেও সেলেসাও ফরোয়ার্ডরা গোল করতে পারছিলো না। এমন সময় দৃশ্যে অবতরণ ম্যারাডোনার। তিনজনকে কাটিয়ে এই জাদুকর মাপা পাস দেন উইঙ্গার ক্লদিও ক্যানিজিয়াকে। তার ৮৭ মিনিটের গড়ানো শটের গোলেই প্রথমবার এবং এখন পর্যন্ত একমাত্রবারের মতো চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদেরকে ছিটকে ফেলে আর্জেন্টিনা। যদিও সেবার বিতর্কিত রেফারিংয়ে ফাইনালে হার মানে বাধ্য হয় তারা (ম্যাচের বিবরণের জন্য জার্মানির দল পর্যালোচনা দ্রষ্টব্য); কিন্তু ভক্তদের মন ঠিকই জয় করে তারা। ১৯৯৪ তেও শুরুটা দারুণ ছিলো। বাতিস্তুতার হ্যাট্রিকে গ্রীসকে ৪-০ গোলে হারায় তারা। প্রথম ম্যাচের অন্য গোলটি আছে ম্যারাডোনার পা থেকে যা ঘটনাক্রমে বিশ্বকাপে তার শেষ হয়েই আছে। এরপর ক্যানিজিয়ার জোড়া গোলে নাইজেরিয়াকে ২-১ গোলে হারানোর পরেই ম্যারাডোনা মাদক পরীক্ষায় ধরা পরেন। ১৫ মাস নিষিদ্ধ করে তাকে ফিফা। নেতাকে হারিয়ে দ্বিতীয় পর্বে রুমানিয়ার কাছে ২-৩ গোলে হেরে বিদায় নেয় “আলবিচেলেস্তে”রা। ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপে কোন গোল না খেয়েই ৭ গোল করে এবং সবকটি ম্যাচ জিতে শেষ ষোলোতে জায়গা করে নেয় তারা। রাউন্ড অফ ১৬-এ আবার ইংল্যান্ডের সাথে “হাই-ভোল্টেজ” ম্যাচ। তরুণ মাইকেল ওয়েনের বিস্ময় গোল ও সিমিওনেকে লাথি মেরে বেকহ্যামের লাল কার্ড পাওয়া ম্যাচে টাইব্রেকারে জেতে আর্জেন্টিনা (অতিরিক্ত সময়ে ২-২ ছিল)। ডাচদের সাথে ১/৪ ফাইনালেও ছিলো কার্ডের ছড়াছড়ি। দু’দল ১০ জনে পরিণত হয় বেশ খানিকটা সময় থাকতেই শেষ পর্যন্ত ডেনিস বার্গক্যাম্পের গোল তাদেরকে বিদায়ের রাস্তা দেখিয়ে দেয়। ২০০২ সালের বিস্মরণীয় বিশ্বকাপের পর আর্জেন্টিনার লাতিন ঘরানার ফুটবল আবার ফেরে ২০০৬ বিশ্বকাপে। জার্মানির কাছে ১/৪ ফাইনালে টাইব্রেকারে বিদায় নেবার আগে জার্মান দর্শকদেরকে মুগ্ধ করেই গেছে হোসে পেকারম্যানের দল। ৪ বছর পরেও আবার ঘাতক জার্মানি, তবে এবার ০-৪ গোলের ধাক্কা। আর গত বিশ্বকাপে তো অনেকেই গোণায় ধরেনি আর্জেন্টিনাকে। কিন্তু সাবেয়ার দল এক মেসিতে ভর করে গ্রুপপর্ব পার হয়। এরপর হিগুয়াইন, মাশ্চেরানো ও ডি মারিয়াদের সহায়তায় মেসি দলকে ফাইনালে তোলেন। ফাইনালে আর্জেন্টিনার হারের কারণ কি? হিগুয়াইনের সহজ সুযোগ মিস, মেসির অস্বভাবসুলভ মিস নাকি রদ্রিগো পালাচিওর আকাশে পাঠানো শট। শেষ পর্যন্ত গোটজার গোলে কান্নায় ভাসেন মেসি। ওই কান্নায় কি পরের বিশ্বকাপ নিজের করে নেওয়ার দৃঢ় প্রতিজ্ঞাও ছিলো?পারবেন তিনি এইবার?
২০১৮ বিশ্বকাপের বাছাইপর্বের ফলাফল: (ম্যাচ:১৮ জয়: ৭ ড্র:৭ হার:৪ পক্ষে গোল:১৯ বিপক্ষে গোল: ১৬ পয়েন্ট: ২৮
সর্বোচ্চ গোল: লেও মেসি (৭ গোল)

২০১৮ বিশ্বকাপ স্কোয়াড:
সর্বোচ্চ ম্যাচ: হাভিয়ের মাশ্চেরানো
সর্বোচ্চ গোল: লিওনেল মেসি
অধিনায়ক: লিওনেল মেসি
স্কোয়াড ভাবনা: ইনজুরির কারণে পরীক্ষিত সেনানী রোমেরোর বিশ্বকাপ না খেলাটা সাম্পাওলির বিশ্বকাপ পরিকল্পনায় বিরাট ধাক্কা দিয়েছে। তার বদলে এখন মেক্সিকোয় ক্লাব ফুটবল খেলা নাহুয়েল গুজমানই ভরসা। উইলি কাবায়েরো চেলসিতে বেঞ্চে বসেই মৌসুম কাটিয়েছেন, বয়সও তার মধ্য তিরিশে। রিভার প্লেটের ফ্রাঙ্কো আরমানি এখনো কোনো ম্যাচ খেলেননি জাতীয় দলের হয়ে। ডিফেন্সটাকেই আর্জেন্টিনার শিরোপা জয়ের অন্তরায় হিসেবে দেখছেন অনেকে। নিকোলাস ওটামেণ্ডিকেই এখানে পরিচালক হতে হবে। লীগ জেতা মৌসুমে ম্যান সিটির হয়ে দারুণ ফর্ম দেখিয়ে তিনি সমর্থকদেরকে আশায়ই যোগাচ্ছেন। মার্কোস রোহো এই মৌসুমে ম্যানইউয়ের হয়ে নিয়মিত মাঠে না নামলেও আর্জেন্টিনার হয়ে সবচেয়ে অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার তিনিই। ৫৬ ম্যাচ খেলা এই ডিফেন্ডারকে বাঁয়েই খেলতে হবে সম্ভবত। কারণ একসময়কার টটেনহাম ফ্লপ ফেদেরিকো ফাজ্জিও গত মৌসুমে রোমার হয়ে অসাধারণ উন্নতি দেখিয়েছেন তার খেলায়। ৬’৫” উচ্চতার বিশালদেহীর সাথে ওটামেন্ডির বোঝা-পড়াটাও ভালো হতে হবে। গত কয়েক ম্যাচে নিকোলাস তায়লিয়াফিকোকে বেশ বাজিয়ে দেখছেন সাম্পাওলি। এদিকে সেভিয়ার গাব্রিয়েল মার্কাদোও ২০টি ম্যাচ খেলে ফেলেছেন। তোরিনোর ফুলব্যাক আন্সালদি ও স্পোরটিং লিসবনের উইঙ্গার থেকে ফুলব্যাক বনে যাওয়া আকুনিয়াকে নিয়ে শেষ আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগ। মাঝমাঠে অভিজ্ঞতার অভাব নেই “আল্বিচেলেস্তে’দের। বানেগা আছেন , বিলিয়া আছেন, আর আছেন সবচেয়ে বড় ভরসা মাশ্চেরানো। তবে এরা কেউই নন, আর্জেন্টাইন সমর্থকেরা তাকিয়ে থাকবেন পিএসজির তরুণ লো চেলসোর দিকে। তিনি অল্প সময়েই নিজের জাত চিনিয়েছেন, থাকবেন হয়তো প্রথম একাদশেই। ডি মারিয়া হয়তো এবার বিশ্বকাপ জিতেই গতবারের ফাইনাল না খেলার শোক ভুলতে চাইবেন। তবে আর্জেন্টাইন সমর্থকেরা যাকে নিয়ে সবচেয়ে আশাবাদী তিনি ক্রিস্তিয়ান পাভোন। বোকা জুনিয়র্সের হয়ে সদ্য লীগ জেতা উইঙ্গার বয়স (২২) ও উচ্চতা (৫”৬”) দুটোতেই ক্ষুদে। তবে দারুণ ভারসাম্য, দুরন্ত গতি ও ডান পায়ের জোরালো শটে তিনি যেন “পকেট ডাইনামাইট”। রাশিয়ায় চমকে দেওয়ার মত কিছু করার সামর্থ্য তার ভালোই আছে। আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় ভরসা তাদের আক্রমণভাগ। কিন্তু এক মেসি ছাড়া কেউই যেন নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি। এবছরও হিগুয়াইয়ান, দিবালা ও আগুয়েরো লীগ চ্যাম্পিয়ন কিন্তু বিখ্যাত আকাশী-নীল জার্সিতে তাদের চেনায়ই দায়। দিবালা দলে নতুন, দেখা যাক সুযোগটাকে কাজে লাগাতে পারেন কিনা তিনি। তবে বিশ্বকাপ জিততে হলে মেসিকে সমর্থন দিতে হবে তাদের এ বিষয়ে দ্বিমত করার অবকাশ নেই। আর মেসি বিশ্বকাপকে নয়, বিশ্বকাপেরই মেসিকে পাওয়া উচিত। ১৫ই জুলাই মস্কোতে কি সেই অপেক্ষাটা ঘুচবে?

২০১৮ বিশ্বকাপের গ্রুপ: ডি
প্রতিপক্ষ: আইসল্যান্ড, ক্রোয়েশিয়া, নাইজেরিয়া

#হক_কথা
গ্রুপের কাঠিন্য: ৮.৫
গোলকিপিং: ৭.৫
ডিফেন্স: ৭.৯
মিডফিল্ড: ৮.০
ফরোয়ার্ড : ৯.৩
বেঞ্চের শক্তি: ৭.২
অবস্থান: ফ্রান্সকে এড়াতে পারলে শেষ আটে সহজেই উঠবে তারা। ১/৪ ফাইনালে দেখা যাক মেসিবাহিনী চমকে দিতে পারে কি না। তারপর তো আর মাত্র দুটি ম্যাচ। হবে কি এবার? ৩২ বছর পর কি সেই সোনালি ট্রফি ধরা দেবে?

 

Facebook Comments