Home > Sumit Biswas Ovi

চিত্র গল্প : শেষের কবিতা

শেষের কবিতা  দেখো যতি, মানুষের কোনো কথাটাই সোজা নয়। আমরা ডিক্‌শনারিতে যে কথার এক মানে বেঁধে দিই, মানবজীবনের মধ্যে মানেটা সাতখানা হয়ে যায়, সমুদ্রের কাছে এসে গঙ্গার মতো। যে ভালোবাসা ব্যাপ্তভাবে আকাশে মুক্ত থাকে, অন্তরের মধ্যে সে দেয় সঙ্গ; যে ভালোবাসা বিশেষভাবে প্রতিদিনের সব-কিছুতে যুক্ত হয়ে থাকে, সংসারে সে দেয় আসঙ্গ।

বিস্তারিত পড়ুন

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস “নৌকাডুবি” অবলম্বনে চিত্রগল্প

আমি যদি কবি হইতাম, তবে কবিতা লিখিয়া প্রতিদান দিতাম, কিন্তু প্রতিভা হইতে আমি বঞ্চিত। ঈশ্বর আমাকে দিবার ক্ষমতা দেন নাই, কিন্তু লইবার ক্ষমতাও একটা ক্ষমতা। আশাতীত উপহার আমি যে কেমন করিয়া গ্রহণ করিয়া লইলাম, অন্তর্যামী ছাড়া তাহা আর কেহ জানিতে পারিবে না। দান চোখে দেখা যায়, কিন্তু আদান হৃদয়ের ভিতরে

বিস্তারিত পড়ুন

চিত্রগল্প : কৃষ্ণকলি

কালো? তা সে যতই কালো হোক দেখেছি তার কালো হরিণ চোখ। কৃষ্ণ কলি আমি তারে বলি  জন্মে দেখেছি ঘরের দেয়াল, আসবাব, বিছানা-চাদর সবই রঙিন। শুধু রঙ নেই স্বজনদের চোখে, আমার কৃষ্ণবর্ণ কালো করে দিয়েছে তাদের মুখ। আর তাদের কড়া দীর্ঘশ্বাস আমার নি:শ্বাসকে করে দিয়েছিল অকাল শ্রাবণের মতো অন্ধকার, যে-শ্রাবণের জলে উৎসব ভাসেনা। আমার ছায়ারঙের বিকেলগুলি

বিস্তারিত পড়ুন

পতিতাবৃত্তি নিয়ে চিত্রগল্প “প্রতিমালিপি”

শ্রী শ্রী চন্ডী নামক ধর্মগ্রন্থে পাওয়া যায়, দুর্গাদেবীর কাঠামো তৈরির সময় নয় রকমের মাটির প্রয়োজন হয়। সেগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে বেশ্যাদ্বারমৃত্তিকা, অর্থাৎ সোজা কথায়, কোনো পতিতার ঘরের দুয়ারের মাটি। কেন এমন হবে? কেন সমাজের অপবিত্রতম গোষ্ঠীর দুয়ারের মাটি দিয়ে নির্মিত হবেন পবিত্রতম দেবী? তাহলে দেবীর সাথে সেই অপাংক্তেয় নারীদের কি কোনো

বিস্তারিত পড়ুন