Sunday, January 16, 2022
Home > খৃষ্ট ধর্ম > ইতালির ফাদার রিগনের শেষ সমাধি হলো মোংলায়

ইতালির ফাদার রিগনের শেষ সমাধি হলো মোংলায়

Spread the love

ইতালির নাগরিক হয়েও তিনি বাংলাদেশকে প্রাণের চেয়ে বেশি ভালোবেসেছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন, মৃত্যুর পর এই বাংলায় তাঁকে সমাহিত করা হোক। সেই ফাদার রিগনকে (১৯২৫-২০১৭) পরম শ্রদ্ধায় মোংলার মানুষ সমাহিত করল শেলাবুনিয়া গ্রামে তাঁরই হাতে গড়া সেন্ট পলস গির্জার পাশে। গত বছরের ২০ অক্টোবর ৯২ বছর বয়সে বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ইতালিতে মারা যান ফাদার রিগন। ঠিক এক বছর পর তাঁর শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকারের সহায়তায় ইতালি থেকে তাঁর মরদেহ ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায় আজ রোববার ভোর পাঁচটায়। সেখান থেকে একটি হেলিকপ্টারে করে তাঁকে মোংলার শেখ রাসেল স্টেডিয়ামে নিয়ে আসা হয় সকাল পৌনে ১০টায়। এরপর ট্রাকে শোক র‍্যালি সহকারে পৌর এলাকা ঘুরে তাঁকে নিয়ে আসা হয় উপজেলা পরিষদের মাঠে। মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে এখানে প্রথমে তাঁকে রাষ্ট্রীয় সম্মান জানানো হয়। পরে মোংলা–রামপালের সাবেক সাংসদ ও খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আবদুল খালেক, ইতালির রাষ্ট্রদূত মারিও পালমা, ফাদার রিগনের ভাগনে মারিও কাভেস্ত্রো, সাবেক সচিব নমিতা হালদার, কাজী সাজ্জাদ আলী জহির বীর প্রতীক, বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক তপন কুমার বিশ্বাস, বাগেরহাট জেলা পুলিশ সুপার পঙ্কজ চন্দ্র রায়, গোয়েন্দা বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার এ এম কামরুল হাসানসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ মোংলা ও রামপাল উপজেলার সর্বস্তরের মানুষ তাঁকে শেষবারের মতো বিনম্র শ্রদ্ধা জানায়।
এরপর দুপুর ১২টায় তাঁর গড়ে তোলা সেন্ট পলস হাসপাতাল ও সেন্ট পলস উচ্চবিদ্যালয়ে তাঁকে নিয়ে আসা হয়। হাসপাতালের চিকিৎসকসহ কর্মচারীরা শেষ শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে অনেকে কান্নায় ভেঙে পড়েন। স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা ফুল দিয়ে তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানান। এরপর ধর্মীয় রীতিনীতি শেষ করে বেলা তিনটায় সেন্ট পলস গির্জার সামনে তাঁকে সমাহিত করা হয়।
ইতালি থেকে ফাদার রিগন বাংলাদেশে এসেছিলেন সেই ১৯৫৩ সালে। খ্রিষ্টধর্ম প্রচারের পাশাপাশি মানুষের সেবা করতেন। এরপর অসুস্থ হয়ে ২০১৪ সালে ইতালি যাওয়ার আগে ৬১ বছর ধরে বাংলাদেশে ছিলেন। এই ৬১ বছরের কিছু সময় ছাড়া পুরো সময়টি কাটিয়েছেন মোংলার শেলাবুনিয়া গ্রামে। বাংলাদেশে আসার পর থেকে নিরলসভাবে মানবকল্যাণে কাজ করে গেছেন। এই ছয় দশকে শিক্ষা বিস্তারে অতুলনীয় অবদান, বাংলা সাহিত্যকে বিশ্বের দরবারে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেওয়া আর মুক্তিযুদ্ধের সময় অসামান্য অবদানের জন্য বাংলাদেশের মানুষের মনের খুব গভীরে স্থান করে নিয়েছিলেন তিনি। ইতালির নাগরিক হয়েও যিনি মনেপ্রাণে একজন খাঁটি বাঙালি হয়ে গিয়েছিলেন।

ইতালির নাগরিক হয়েও তিনি বাংলাদেশকে প্রাণের চেয়ে বেশি ভালোবেসেছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন, মৃত্যুর পর এই বাংলায় তাঁকে সমাহিত করা হোক। সেই ফাদার রিগনকে (১৯২৫-২০১৭) পরম শ্রদ্ধায় মোংলার মানুষ সমাহিত করল শেলাবুনিয়া গ্রামে তাঁরই হাতে গড়া সেন্ট পলস গির্জার পাশে। গত বছরের ২০ অক্টোবর ৯২ বছর বয়সে বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ইতালিতে মারা যান ফাদার রিগন। ঠিক এক বছর পর তাঁর শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকারের সহায়তায় ইতালি থেকে তাঁর মরদেহ ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায় আজ রোববার ভোর পাঁচটায়। সেখান থেকে একটি হেলিকপ্টারে করে তাঁকে মোংলার শেখ রাসেল স্টেডিয়ামে নিয়ে আসা হয় সকাল পৌনে ১০টায়। এরপর ট্রাকে শোক র‍্যালি সহকারে পৌর এলাকা ঘুরে তাঁকে নিয়ে আসা হয় উপজেলা পরিষদের মাঠে। মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে এখানে প্রথমে তাঁকে রাষ্ট্রীয় সম্মান জানানো হয়। পরে মোংলা–রামপালের সাবেক সাংসদ ও খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আবদুল খালেক, ইতালির রাষ্ট্রদূত মারিও পালমা, ফাদার রিগনের ভাগনে মারিও কাভেস্ত্রো, সাবেক সচিব নমিতা হালদার, কাজী সাজ্জাদ আলী জহির বীর প্রতীক, বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক তপন কুমার বিশ্বাস, বাগেরহাট জেলা পুলিশ সুপার পঙ্কজ চন্দ্র রায়, গোয়েন্দা বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার এ এম কামরুল হাসানসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ মোংলা ও রামপাল উপজেলার সর্বস্তরের মানুষ তাঁকে শেষবারের মতো বিনম্র শ্রদ্ধা জানায়।
এরপর দুপুর ১২টায় তাঁর গড়ে তোলা সেন্ট পলস হাসপাতাল ও সেন্ট পলস উচ্চবিদ্যালয়ে তাঁকে নিয়ে আসা হয়। হাসপাতালের চিকিৎসকসহ কর্মচারীরা শেষ শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে অনেকে কান্নায় ভেঙে পড়েন। স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা ফুল দিয়ে তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানান। এরপর ধর্মীয় রীতিনীতি শেষ করে বেলা তিনটায় সেন্ট পলস গির্জার সামনে তাঁকে সমাহিত করা হয়।


ইতালি থেকে ফাদার রিগন বাংলাদেশে এসেছিলেন সেই ১৯৫৩ সালে। খ্রিষ্টধর্ম প্রচারের পাশাপাশি মানুষের সেবা করতেন। এরপর অসুস্থ হয়ে ২০১৪ সালে ইতালি যাওয়ার আগে ৬১ বছর ধরে বাংলাদেশে ছিলেন। এই ৬১ বছরের কিছু সময় ছাড়া পুরো সময়টি কাটিয়েছেন মোংলার শেলাবুনিয়া গ্রামে। বাংলাদেশে আসার পর থেকে নিরলসভাবে মানবকল্যাণে কাজ করে গেছেন। এই ছয় দশকে শিক্ষা বিস্তারে অতুলনীয় অবদান, বাংলা সাহিত্যকে বিশ্বের দরবারে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেওয়া আর মুক্তিযুদ্ধের সময় অসামান্য অবদানের জন্য বাংলাদেশের মানুষের মনের খুব গভীরে স্থান করে নিয়েছিলেন তিনি। ইতালির নাগরিক হয়েও যিনি মনেপ্রাণে একজন খাঁটি বাঙালি হয়ে গিয়েছিলেন।

Facebook Comments