Monday, January 17, 2022
Home > স্মৃতিকথা > স্মৃতিকথন ~ কাউসার মাহমুদ

স্মৃতিকথন ~ কাউসার মাহমুদ

Spread the love

বহুদিন কথা হয়না বুঝি নিজের সাথে।মনের সাথে কথা বলা খেলা অন্যরকম। আজকাল ভেতর বাহির দুইই নিশ্চুপ হয়ে আছে, প্রাত্যহিক ভণিতা সম্পন্ন ব্যস্ত কর্মযজ্ঞে। মন কি মরে গেলো!এই বৃষ্টি, মেঘলা আকাশ,একটু একটু বাতাস।এসবে জমকালো আবীরখেলা ভাবনা ডানা মেলতো মনের ঘরে।লিখতাম,গাইতাম,বলতাম, গল্প করতাম।অথচ আজকাল!এইতো খোলা দরজা দিয়ে নির্ঝর বৃষ্টি দেখেই যাচ্ছি ঘন্টা খানেক ধরে।কিন্তু এখনও কোনও বোধ যেন নাড়া দিচ্ছেনা।আমার পাশেই একদল দলছুট বাচ্চার চিৎকার সেই কখন থেকে। ভালো লাগার মাঝে এটাই। মনে পরছে শৈশব। জলকাদায় গড়াগড়ি।লুটোপুটি,দৌড়ঝাপ। পুকুর পার। আবাল্য দুরন্তপনার উন্মাতাল সব দিন।

জীবন দর্শন যখন বাস্তবিক প্রয়োগ হতে থাকে জীবনে।
দর্শন যেখানে হয়ে ওঠে প্রয়োজন। গাণিতীক সীমারেখায় যখন সীমাবদ্ধ হয় যাপনের হাল-চাল।সে সময়টা বোহেমিয়ান মানুষদের জন্য ব্যাপক কষ্টের। একটা রেখায় হাঁটতে বড্ড দুঃখ হচ্ছে আজকাল। ভয় হয় স্বপ্ন ভঙ্গের। তারপরও আমরা হাঁটি।হাঁটবো।আমাদের হাঁটতে হয়।

চারপাশে নানান সমস্যা দেখে মাঝেমধ্যে ঠোঁটের কোণে হাসি ঝুলে।কারণ, মানব জীবনই হলো সমস্যার উর্বর ভূমি।যদি সবকিছুকেই সমস্যা মনে করা হয়। ওইদিকে আমরা দেখি এই সমস্যা-প্রধান ভাবনাটা মানব সত্তার এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। খুব কম মানুষই এর থেকে সম্পূর্ণ বেরিয়েছে। আর যারা পেরেছিলো তাদের সংখ্যা অতি নগন্ন। তাদের জীবনালেখ্যে জানা যায় তারা সাধক ছিলেন।প্রত্যেকে প্রত্যেকের জায়গার সাধক।সুতরাং কাজের ক্ষেত্র নির্ণয় করে সাধনায় ব্রতী হলেই বোধহয় সমস্যা উতরিয়ে কিছুটা শান্তি /সাফল্য অর্জন হতে পারে।

Facebook Comments