Wednesday, January 19, 2022
Home > গল্প > প্যাডেল মার দিদি ।। কাশী নাথ

প্যাডেল মার দিদি ।। কাশী নাথ

Spread the love

ধ্যাৎ,এ বিকেলে সবাই মাঠে খেলতে গিয়েছে।আর আমি বাড়ির উঠোনে হা করে তীর্থের কাকের মত বসে আছি।কবে যে দিদি আমাকে সাইকেল চালানো শেখাবে।কিন্তু দিদি যে সে শেখাবে বলল তা তার মনে আছে বলে তো মনে মনে হচ্ছে না।একটানা
বাড়ির উঠোনো সাইকেল চালাচ্ছে তো চালিয়েই যাচ্ছে।গেরাম এর সবাই বলে,মেয়েরা নাকি লক্ষী মত শান্তশিষ্ট হয়। তাদের মধ্যে নাকি দুরন্তপনার ছিটেফোঁটা ওনেই।তারা মনে হয় আমার দিদিকে না দেখেই তাদের এ প্রচলিত কথা বলে
বেড়ায়।

দিদির স্বভাবে লক্ষীপনার লেশমাত্র ও নেই সারাক্ষণ ছোটাছুটি তাও আবার গেরাম এএর সবার সামনে করে না সব বাড়ির ত্রিসীমানা র মধ্যেই করতে হবে।বাড়ির বাইরে গেলে অমনি শান্তশিষ্ট হয়ে যায়।বাড়ির বাইরে ছোটাছুটি করলে নাকি বাইরের মানুষ দেখলে খারাপ নজর না কি জানি কি একটা দেয় নাকি।

বাবা সাইকেল আমার জন্যই কিনে এএনেছিল, কিন্তু আমি জামসেদ এর কাছে সাইকেল চালানো শিখতে যাওয়ার আগেই দেখি দুদিনের মাথায় দিদি দিব্যি সাইকেল চালিয়ে বাড়ির উঠোন চষে বেড়াচ্ছে।কিভাবে যে শিখল কে জানে? থাক এখন আমার অত ভেবে কাজ নেই এখন আমার একমাত্র কাজ দিদি থেকে যেকোনো ভাবে হোক সাইকেল চালানো শিখে নেওয়া।

কিন্তু দিদি যে শেখাবে বলে ঘন্টা আধেক ধরে এক নাগাড়ে বাড়ির উঠোনে সাইকেল চালাচ্ছে তো চালিয়েই চলেছে। চালাবার সময় একবার ঘাড় বাকিয়ে আমার দিকে তাকাই তো আরেকবার মাথা সামনের দিকে দিয়ে বিজয়ী  ভঙ্গিতে পায়ে
প্যাডেল মারতে থাকে।

দিদিকে অপূর্ব লাগছে সাইকেল সামনে এগিয়ে যাওয়ার সময় দিদির চুল গুলো যেন বাতাসের সাথে কথা বলছে। আমি ঘন্টা আর্ধেক ধরে তার এ সাইকেল চালিয়ে যাওয়া দেখেই চলেছি।আর দিদির দিকে তাকিয়ে থাকতে ইচ্ছে করছেনা গোয়াল ঘর থেকে আসা গরুর ডাকগুলো মনযোগটা বারবার সরিয়ে নিচ্ছে।

ক্রিং ক্রিং ক্রিং
দিদি টানা তিনবার সাইকেলের বেল বাজিয়ে ব্রেক কষে আমার সামনে
দাঁড়াল।দাঁড়িয়েই বলা শুরু করল,
-কিরে চালানো শিখবি বলেছিলি না?

-তুমি আর চালাতে দিচ্ছ কই?নিজেই তো একা চালিয়ে বেড়াচ্ছ।

-আরে বুঝবি না,টেস্ট করে নিচ্ছিলাম।কানু মাস্টার বলে না, সব কিছু ব্যবহার করার আগে টেস্ট করে নিতে হয়। ধর সাইকেল টা নষ্ট ছিল,আর তুই সাইকেলে প্যাডেল মারতে গিয়ে সাইকেল খুলে পড়ে গেলি।কি হবে তখন ভাব তো?সাইকেল এর
পার্টস গুলোও খুলে যাবে সাথে তোর কয়টা হাত পা ও খুলে যাবে।

-তোমার সব বাজে কথা দিদি। তা এখন চালানো শেখাবে নাকি বল?
-আমি কবে বললাম শেখাব না।চল তোকে শিখিয়ে দেই।দেখি প্রথমে সাইকেলে উঠে বোস। বলেই দিদি সাইকেল থেকে নেমে পড়ল। আমি দিদির কথা মতো গিয়ে সাইকেলের সিটে বসে পড়লাম। আমি এখনো সাইকেল চালানো শিখি নি তাই ভালোমত সাইকেল ঠিক রেখে বসতে জানি না , দিদি তাই পিছন থেকে সাইকেল টা শক্ত করে ধরে রেখেছে।আমি কোনোমতে সাইকেল এ বসার পর দিদি পিছন থেকে সাইকেল ঠেলা শুরু করল।

সাইকেলটা চলা শুরু করল।আমি অপ্রস্তুত ছিলাম তাই শক্ত করে সাইকেল এর হ্যান্ডেল ধরে ফেললাম।সাইকেল এর প্যাডেল টা একবার উঠছে আর নামছে আর মাঝে মাঝে আমার পায়ের সাথে ঘষা খাচ্ছে।আমি আছি এখন প্যাডেল গুলো থেকে কোনোরকমে আমার পা বাচানোর তালে।যেই একটু একটু করে পা বাঁচিয়ে সাইকেলে বসে থাকা রপ্ত করে  উঠেছি অমনি দিদি পিছন থেকে চেঁচিয়ে উঠল -প্যাডেল মার গাদা প্যাডেল মার।

মানুষ নাকি জীবনে সবচেয়ে বেশি যে শব্দটি শোনে তা নাকি তার নাম। না কথাটা
মোটেও সত্যি না। আমি আমার জীবনে এ পর্যন্ত যতবার নিজের নাম শুনেছি তার
চেয়ে বেশিবার দিদির মুখ থেকে “গাধা” শব্দটা শুনেছি। এমনিতেই গাধা শব্দটা
আমার মোটেও পছন্দ হয় না তবুও শুনতে হয়। আর দিদির মুখ থেকে গাধা ডাকটা
মোটেও সহ্য হয় না।তাই দিদির এ গাধা ডাক কম শোনার জন্য আমি সাইকেলে
প্যাডেল মারতে শুরু করলাম।

কে জানত এ প্যাডেল মারতেও ভোগান্তির শেষ নেই।এক বার মারি তো পরেরবার আর
মারতে পারি না।
দিদি কিছুক্ষণ ঠেলে দেওয়ার পর পিছন থেকে সাইকেল ছেড়ে দিল।আর অমনি আমি তাল
হারিয়ে ধপাস করে পড়ে গেলাম।
-এই দিদি তুমি ফেলে দিলে কেন আমাকে?
-থাপ্পড় খাবি একদম, আমি তোকে ফেলে দিয়েছি?হাত পিছন থেকে ছেড়ে না দিলে তুই
সাইকেল চালানো শিখবি কিভাবে?
-তাই বলে এভাবে না বলে ফেলে দিতে হবে?
-আবার বলিস ফেলে দিয়েছি? বল হাত ছেড়ে দিয়েছি
-আচ্ছা
-দেখি আবার সাইকেলে উঠে বস।
এই মাত্র সাইকেল থেকে পড়ে গেলাম, পায়ে একটা জায়গায় অল্প কেটে ও গেছে।ব্যথাটা প্রথমে টের না পেলেও দিদির সাথে কথা শেষ হবার পর ভালোই বোঝা যাচ্ছিল।আর দিদি এর মধ্যে বলে কিনা আবার সাইকেলে উঠব।আবার সাইকেল চালাতে
হবে।যদি আবার পড়ে যায়?

সাইকেলে আবার উঠে বসার বিন্দুমাত্র আগ্রহ আমার আর নেই তবে না উঠলেও হয় না।দিদি আবার রাগ করে বসবে। বলবে, যাহ! তোকে আর শিখতে হবে না।কিছু করার নেই, অনিচ্ছা সত্ত্বেও আবার সাইকেলে উঠে বসলাম।যেই দিদি সাইকেল টা আবার
পিছন থেকে ঠেলতে যাবে অমনি বাবা উঠোনে এসে ঢুকলেন। যাক একদিক দিয়ে ভালোই, এখন আর আমাকে সাইকেল চালানো শিখতে হবে না।

বাবা কদিন ধরে দিদির সাইকেল চালানো,দস্যুপনা এসব কিছু দেখতে পারে না।আগে দিদিকে কিছুই বলত না কিন্তু যখন থেকে দিদির বিয়ের কথাবার্তা শুরু হল তখন থেকে দিদি কিছু করতে দেখলেই মুখ ভারী করে বলে,অণু ঘরে যা।আজকে বাবা উঠোনে আসার সাথে সাথেই দিদি বাড়ির ভিতর ঢুকে গেল।বাবাকে আজ অনেকটা খুশি খুশি আর নিশ্চিন্ত লাগছে। কলঘর থেকে এসে বাবা সবাইকে ঢেকে জানান, কাল নাকি দিদির বিয়ে। দুবাই থেকে আসা অর্জুন কাকু আজ দুপুরে দিদিকে জল আনতে যাওয়ার সময় দিদিকে দেখে পছন্দ করে ফেলে।বিকেলে বাজারে বাবার সাথে দেখা হলে বাবাকে ঘরে নিয়ে গিয়ে বিয়ের প্রস্তাবটা পাড়েন।

পরশু নাকি আবার দুবাই চলে যাবে তাই কালই বিয়েটা সেরে ফেলবে।যা ব্যবস্থা করার তা এ এক রাতের মধ্যেই করে ফেলতে হবে।বাবা দ্বিমত না করে বিয়েতে রাজি হয়ে যান। অর্জুন দা দের মত ভালো ছেলে নাকি পাওয়া যায় না। তাদের নাকি অনেক জমিজমা আছে গ্রামে।তারা নাকি অনেক ভালো পরিবার…

বাবা দিদির বিয়ের কথা বলার পর মা কিছুই বলেনি। দ্বিমতটি পর্যন্ত করেনি। কথা শোনার সঙ্গে সঙ্গে একে ওকে বিয়ের যোগার সমস্ত করার জন্য খবর দিতে থাকে যেন বোঝা বিদেয় হচ্ছে। দিদিও কিছু বলেনি শুধু নিজের ঘরের ভিতর চুপচাপ চলে গেল।বাবা খবর দিয়ে চলে যাওয়ার পর দিদিমা বলেছে,যাক মেয়েটার
তাহলে একটা গতি হচ্ছে। আর কত পড়বে শুনি?

সবাই বিয়ের যোগার সাবস্ত করতে লেগে পড়েছে। শুধু আমি খবর পাওয়ার পর একি
জায়গায় স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে রইলাম। মাথার হিসেব সবকিছু যেন ওলোট পালোট হয়ে
যাচ্ছে।যার না কাল বাদে পরশু পরীক্ষা তার কাল বিয়ে। তাও আবার ৩৭ এর বুড়ো
অজুন কাকুর সাথে…

ওখানে হতবাক হয়ে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে সবার কর্মব্যস্ততা দেখতে দেখতে চোখ দুটো বুজে যে ঘুমিয়ে পড়েছি তা খেয়ালই করিনি… ঠিক কতক্ষণ ঐ জায়গায় পড়ে পড়ে ঘুমিয়ে ছিলাম তা জানি না,তবে ঘুম থেকে উঠে দেখি আমি আমার রুমে খাটের উপর শুয়ে আছি।কটা বাজে তাও জানি না তবে জানালা দিয়ে তাকিয়ে দেখি বাড়ি সাজানো হচ্ছে। সারা বাড়ি ভর্তি ডেকোরেশনের লোক গমগম করছে। ঘর থেকে বের হয়ে দেখি মা, ঠাকুমা ব্যস্ততার সাথে ছোটাছুটি করছে, সবাইকে দিয়ে এটা ওটা করাচ্ছে। আমাকে দেখেই ঠাকুমা বলে উঠল, -আজ তোর বোনের বিয়ে আর তুই সবেমাত্র ঘুম থেকে উঠেছিস।কত কাজ পড়ে আছে
জানিস?

যা গিয়ে বাড়ির পিছন থেকে ফুলওয়ালার আনা ফুল গুলো নিয়ে আয়। হতছাড়াটা ফুলগুলো বাড়ির পিছনেই রেখে চলে এসেছে।
-বিয়ে কবে হবে ঠাকুমা?
-এমা!তুই এটাও জানিস না?বিয়ে তো আজ দুপুরে।
-কিন্তু আমাদের বিয়ে তো রাতে হয়। দিদির বিয়ে দুপুরে কেন হচ্ছে?আচ্ছা
দিদির মত আছে তো এতে?
-এত কথা বাড়াস নে তো। যা গিয়ে ফুলগুলো নিয়ে আয়।
-আচ্ছা।

ঠাকুমার কথা মত আমি ফুলগুলো আনতে বাড়ির পিছনে চলে গেলাম। বাড়ির পিছনে
গিয়ে দেখি ফুলওয়ালা এক লাই ফুল রেখে চলে গেছে। তার পাশে দেখি আমার
সাইকেলটা পড়ে আছে।সাইকেল টার দিকে তাকাতেই সম্পূর্ণ ভিন্ন এক শূন্যতা
আমায় গ্রাস করল।দিদি কি বাড়ির উঠোনে আর সাইকেল নিয়ে ঘুরে বেড়াবে না? আজ
দিদির বিয়ে হলে কি দিদি কাছ থেকে আর সাইকেল চালানো শেখা হবে না?দিদি কি
তবে আজ সত্যিই চলে যাবে?

সব ভাবতে ভাবতে যে কতক্ষণ সাইকেল এর দিকে তাকিয়ে ছিলাম তা জানা নেই।
হঠাৎ করে ঠাকুমার গলার আওয়াজে ঘোর ভাঙ্গল,
-কিরে ফুলগুলো না নিয়ে এভাবে দাঁড়িয়ে আছিস কেন?দেখি সর, আমিই নিয়ে
যাচ্ছি।তোর বাবা এখন খবর এনেছে পাত্রপক্ষ আর আধ ঘন্টার মধ্যেই চলে
আসবে।তুই গিয়ে তোর দিদির সাথে কথা বলে আয়। বিয়ের সময় ও আবার তোর সাথে
কোনো কথা বলতে পারবে না।
-আচ্ছা
-খালি আচ্ছা আচ্ছা ই তো করিস,কোন কাজ তোতো করিস না। যা গিয়ে কথা বলে আয়।
দিদির সাথে কথা বলার জন্য দিদির ঘরের সামনে গিয়ে দেখি দরজা ভেজানো
রয়েছে।আমি দরজায় শব্দ করতে প্রতিউত্তরে ভেসে এল,
-কে?
-দিদি আমি।
-আয় ভিতরে আয়।দরজা খোলাই আছে।
দরজা খুলে ঘরের ভিতরে গিয়ে দেখি ভিতরে আর কেউ নেই দিদি বিয়ের শাড়ি পড়ে
কণের সাঁজ সেজে খাটের উপর বসে আছে।দিদির ঘরে বাবা আর মায়ের বিয়ের একটা
সাদাকালো ছবি আছে।দিদিকে ঠিক মায়ের মতই লাগছে।
-দিদি
(কোনো সাড়া এল না, দিদি মাথা নিচু করে বসেই রইল)
-এই দিদি!
দিদি এবার ভাঙা ভাঙা গলায় বলল,
-বল
-আমায় আর সাইকেল চালানো শেখাবি না?
কথাটা বলার পর দিদির কোনো সাড়া পেলাম না।আবার যখন দিদিকে ডাকতে যাচ্ছি,এই দি….
দিদি আমাকে জড়িয়ে ধরে হুহু করে কেঁদে উঠল।দিদির মতো আমিও ওকে জড়িয়ে ধরে
কেঁদে উঠলাম।এভাবে কিছুক্ষণ কাঁদার পর দিদি বলল,
-আমি এ বিয়ে করতে পারব না রে।কাল না আমার পরীক্ষা?
-এখন কি করবে?
-কি করব তাই তো জিজ্ঞেস করছি।
-পালিয়ে যাবে?
দিদি মনে হয় এতক্ষণ ঠিক এ কথাটাই শোনার অপেক্ষাই ছিল।মূহুর্তেই তার চোখ বড় হয়ে উঠল।
-হ্যা, পালিয়ে যাব।তুই পালাতে সাহায্য করবি?
-আলবত করব।
হঠাৎ করে ওলু ধ্বনি শোনা যাচ্ছে।ঘরের বাইরে বেড়িয়ে দেখি বর আসছে।দূরে
বরের গাড়ি দেখা যাচ্ছে। মা, ঠাকুমা, বাবা আর বাড়িতে যারা ছিল সবাই বরকে
বরণ করতে যাচ্ছে।
-দিদি বর চলে এসেছে, এখনি পালাও।
-সবাই বাড়ির বাইরে না?
-তুমি পিছনের দরজা দিয়ে পালাও।
বলে দিদির হাত ধরে আচমকা টান দিয়ে ঘর থেকে বের করে ফেললাম। ঘর থেকে বের
হয়ে দেখি বাড়ি পুরো ফাঁকা।দিদিকে নিয়ে বাড়ির পিছনের দরজা দিয়ে বেড়িয়ে
এলাম।
উত্তেজনায় বুক ধুকপুক করছে। খানিকের মধ্যেই অনেক বড় একটা কাজ করে
ফেলেছি,দিদিকে বিয়ে বাড়ি থেকে বের করে এনেছি।আর কিছুক্ষণ পরে বরবরণ শেষ এ
সবাই বাড়ি ঢুকে যখন দেখবে দিদি নেই তখন নির্ঘাত তার জন্য খোঁজ শুরু
হবে।বাড়ি থেকে বেড়িয়ে এবার প্রথমবারের মত দিদির দিকে তাকালাম। কৃতজ্ঞতায়
দিদির চেহারা ভরে উঠেছে।
-ভাই তুই অনেক ভালো।
-দিদি তোমাকে এবার পালাতে হবে।
-যাই তবে।
দিদি যেই দৌড় দিতে যাবে অমনি আমার চোখ গেল সাইকেলের দিকে,দিদির হাত ধরে
থামিয়ে বললাম,
-দিদি সাইকেলে করে যাও।
আর তখনি বাড়ির ভিতর থেকে ঠাকুমার চিৎকার শোনা গেল, গেল রে গেল। মেয়েটা
পালিয়ে গেল রে…..
এখুনি সবাই দিদিকে খুজতে বেরুবে। আর দিদি এখন সাইকেলে করে পালাবার
চেষ্টায় আছে।দিদি তো সাইকেল ভালোই চালাতে পারে তবে এখন কেন জানি চালাতেই
পারছে না।উঠছে আর একবার প্যাডেল মেরেই পড়ে যাচ্ছে। ওদিকে বাড়ির ভিতরে
হইচই আরো বাড়ছে আর আমি দিদিকে ক্রমাগত বলে চলেছি,
প্যাডেল মার দিদি প্যাডেল মার……..

Facebook Comments